Thursday, 31 December 2015

বাঙালির পায়ের তলায় সর্ষে ......শিমুলতলা-মধুপুর

সারি সারি শিমুলের সমারোহ হয়তো এখানে নেই। তবে আছে ছোটখাটো জঙ্গল, ইউক্যালিপ্টাসের সারি, চারিদিকে ছোট ছোট পাহাড় আর সবুজের সমারোহ। এখানকার জলবায়ু দারুণ স্বাস্থ্যকর। তার আগে প্রায়শই বাঙালির দল স্বাস্থ্যোদ্ধারের জন্য ডেরা বাঁধতেন এখানে। কলকাতা থেকে শিমুলতলার দূরত্ব ৩৪২ কিমি।
কী ভাবে যাবেন: হাওড়া থেকে ১৩০০৭ আপ উদ্যান আভা এক্সপ্রেস, ১৩০৩৯ আপ হাওড়া-দিল্লি জনতা এক্সপ্রেস মধুপুর, শিমুলতলায় যাচ্ছে। তবে জনতা এক্সপ্রেস মাঝ রাতে পৌঁছয়। উদ্যান আভা-তে দিনে দিনে পৌঁছনো যায়।

কোথায় থাকবেন: শিমুলতলায় বিভিন্ন অস্থিরতার কারণে মাঝে পর্যটকদের তেমন ভিড় ছিল না। বর্তমানে আবার পর্যটকেরা ভিড় করছেন। হোটেল, লজের বেশ অভাব। কিছু বাড়ি পর্যটকদের ভাড়া দেওয়া হয়। সেখানে রান্না করে খাওয়ার ব্যবস্থা আছে।



স্টেশন থেকে কাছেই অন্যা রিসর্ট (০৯৫৪৬৮৯২১৭৭) ডাবল বেড ৭০০ টাকা। এসি ২০০০ টাকা। অপূর্ব আবাস (২৫৬০০৫) ভাড়া ৪০০-৬০০ টাকা। মুখার্জি লজ (২৪১০-০৩২৪ কলকাতার নম্বর), ভাড়া জনপ্রতি ১০০-১৫০ টাকা। ঘরের সঙ্গে কিচেন, রান্নার সরঞ্জাম, লাগোয়া বাথরুম রয়েছে। এসটিডি কোড: ০৬৪৩৮

কী দেখবেন: শিমুলতলার নির্জন প্রকৃতি আর পাহাড়ি জল শরীর-মনকে চাঙ্গা করে তোলে। শিমুলতলা থেকে ট্রেনে ৪৫ মিনিটে পৌঁছে যান ৪৮ কিমি দূরের মধুপুরে। মধুপুরও স্বাস্থ্যকর স্থান। এখানকার পাথরোল কালীবাড়ি ভীষণ জাগ্রত বলে স্থানীয় মানুষের বিশ্বাস। প্রতি মঙ্গল ও শনিবার বলিও হয় এখানে।

শিমুলতলায় রিকশা নিয়ে ঘুরে দেখা যায় দ্রষ্টব্য স্থানগুলি। পরিত্যক্ত রাজবাড়ি, লাট্টু পাহাড়, হলদি ফলস প্রভৃতি। সিনেমাপ্রেমীরা দেখে নিতে পারেন তরুণ মজুমদারের বিখ্যাত দুই ছবি ‘দাদার কীর্তি’ ও ‘ভালবাসা ভালবাসা’-র শ্যুটিং স্পট।

শিমুলতলা থেকে গাড়ি ভাড়া করে ঘুরে নেওয়া যায় গিরিডি। শিমুলতলা থেকে লোকাল ট্রেনেও আসা যায় গিরিডি। গিরিডিও স্বাস্থ্যকর জায়গা। এখানকার প্রধান আকর্ষণ উস্রি ফলস, জৈনদের শ্রেষ্ঠ তীর্থক্ষেত্র পরেশনাথ পাহাড়। এই পাহাড়ে বসবাসকারী ২৪ জন তীর্থঙ্করের মধ্যে ২০ জনই এখানে মহানির্বাণ লাভ করেন। স্বামী পার্শ্বনাথ একশো বছর বয়সে এই পাহাড়ে মোক্ষলাভ করেন বলে পাহাড়ের নামকরণ হয়েছে পরেশনাথ। এটি ঝাড়খণ্ডের সর্বোচ্চ পাহাড়। হাতে সময় থাকলে গাড়ি ভাড়া করে দেখে নিতে পারেন তোপচাঁচি ড্যাম ও লেক, জশিডি, খাণ্ডোলি ড্যাম ও পেকারিয়া ফলস।

Saturday, 5 December 2015

চিংড়ি কিমা স্ন্যাক্স


উপকরণ:
 চিংড়ি (বড়), চিকেন কিমা ২০০ গ্রাম, পাতিলেবু ১টা, রসুনবাটা ২ টেবলচামচ, আদাবাটা ১ টেবলচামচ, গোলমরিচগুঁড়ো স্বাদমতো, কর্নফ্লাওয়ার ২ টেবলচামচ, ডিম ৩টে, বিস্কিটগুঁনো ১ কাপ, সাদা তেল পরিমাণমতো, নুন আর চিনি স্বাদমতো।





প্রণালী: 
চিংড়ি পরিষ্কার করে লেবুর রস, নুন, আদাবাটা, রসুনবাটা, গোলমরিচগুঁনো দিয়ে কিছুক্ষণ ম্যারিনেট করে রাখুন। কিমা, রসুন, ধনেপাতা একসঙ্গে বেটে নিন। মিশ্রণের মধ্যে নুন, চিনি, গোলমরিচগুঁড়ো, কর্নফ্লাওয়ার দিয়ে মিশিয়ে নিন। ম্যারিনেট করা চিংড়ি টুথপিকে গেঁথে (সোজা করে নিয়ে মাথা বাদ দিয়ে) কিমার মিশ্রণে ভাল করে লাগিয়ে নিন। ডিম, নুন, গোলমরিচগুঁড়ো দিয়ে ফেটিয়ে গোলা বানিয়ে নিন। কিমায় মাখানো চিংড়ি ডিমের গোলায় ডুবিয়ে বিস্কিটের গুঁড়ো মাখিয়ে তেলে ভেজে নিন। স্ন্যাক্স হিসেবে অনবদ্য।